April 21, 2024
ভোটে কারচুপির অভিযোগে পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করছেন পিটিআই সমর্থকেরা। শনিবার করাচিতে এই বিক্ষোভ হয়।ছবি: রয়টার্স
ভোটে কারচুপির অভিযোগে পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করছেন পিটিআই সমর্থকেরা। শনিবার করাচিতে এই বিক্ষোভ।ছবি: রয়টার্স

মিত্রের খোঁজে ইমরানের দল

জাতীয় পরিষদের সংরক্ষিত আসন ভাগে না পেলে সরকার গঠনের দৌড়ে পিছিয়ে পড়বে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। এই বাস্তবতা বুঝতে পেরে দলটি এখন অন্য দলের সঙ্গে জোট করা বা অন্য কোনো দলের সঙ্গে বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পিটিআইয়ের চেয়ারম্যান গহর আলী খান রোববার দলের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

ডন নিউজকে পিটিআই নেতা বলেন, মিত্র কে হতে পারে, তা খোঁজা হলেও তারা অবশ্যই জোট করার জন্য পিএমএল-এন বা পিপিপির কাছে যাবে না। সমসাময়িক বিষয় নিয়ে ডন নিউজের আলোচনা অনুষ্ঠান দুসরা রুখ শোতে গহর আলী বলেন, ‘ওই দুই দলের কারও সঙ্গে আমরা স্বস্তি বোধ করি না। সরকার গঠন নিয়ে বা তাদের সঙ্গে মিলেয় সরকার গঠন নিয়ে কারও সঙ্গে কোনো কথা হবে না। (তাদের সঙ্গে নিয়ে) সরকার গঠনের চেয়ে বিরোধী দলের আসনে বসা ভালো। তবে আমরা মনে করছি, আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে।

পিটিআই নেতা বলেন, জনগণ তাঁদের পক্ষে যে রায় দিয়েছেন, তা গ্রহণ করা না হলে দলটি শক্তিশালী বিরোধী দল হবে।

জাতীয় পরিষদ বা প্রাদেশিক পরিষদ যেকোনো জায়গায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা দাবি করার ক্ষেত্রে পিটিআইয়ের জন্য সংরক্ষিত আসন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

নির্বাচনে পিটিআই-সমর্থিত প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি আসনে জয়ী হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় তাঁরা সংরক্ষিত আসনের জন্য বিবেচিত হবেন না। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে নারী ও সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত থাকা এসব আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে। দলগুলো সংরক্ষিত এসব আসনের জন্য মনোনীত প্রার্থীদের তালিকা জাতীয় নির্বাচনের আগেই নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে।

পিএমএল-এন ও পিপিপিকে বাতিলের খাতায় ফেলে দেওয়ার পর পিটিআইকে অবশ্যই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা কোনো দলের সঙ্গে ঐক্যের বিষয়ে ভাবতে হবে। এ ক্ষেত্রে তাদের সামনে একটি বিকল্প হতে পারে জামায়াত-ই-ইসলামি (জেআই), যাদের খাইবার পাখতুনখাওয়ার প্রাদেশিক পরিষদে তিনজন সদস্য রয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের এর আগে জোট শরিক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।

আরেকটি বিকল্প হচ্ছে, মজলিস-ই-উয়াহদাতুল মুসলিমিন (এমডব্লিউএম)। এই দলের সঙ্গে পিটিআইয়ের জোট হতে পারে বলে আগেই আলোচনা ছিল। তবে এমডব্লিউএম নির্বাচন কমিশনে সংখ্যালঘু প্রার্থীদের তালিকা জমা দেয়নি বলেই মনে হচ্ছে। দলটি নারী প্রার্থীদের তালিকাও জমা দিয়েছে কি না, সে বিষয়েও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *