পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে খাল দখল করে চলছে ভবন নির্মানের কাজ। সরেজমিনে গিয়েদেখা গেছে, উপজেলার ইন্দুরকানী বাজার সংলগ্ন ইন্দুরকানী-সন্নাসী এলজিইডি রাস্তার পার্শ্বে বলেশ্বর খাল দখল করে ভবন নির্মান করা হচ্ছে।
জানা যায়, উপজেলার কালাইয়া গ্রামের সূর্য্য কান্তি বৈদ্য এর ছেলে দুলাল বৈদ্য রাস্তার পার্শ্বে লম্বা-লম্বি ভাবে ১শতাংশ জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে সেখানে অবৈধভাবে খাল ভরাট করে নির্মান করতেছেন ভবন। স্থানীয়রা জানান, খালটি উপজেলা সদরে হওয়ায় এটি ব্যবহার করে বিভিন্ন নৌ-যান চলাচল করে।
এ খাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ক্রয়-বিক্রয়ের বিভিন্ন মালামাল ও নির্মান সামগ্রী বহনের জন্য ট্রলার, কার্গোর মত ভারী নৌ-যান চলাচল করে। খাল ভরাট করে ভবন নির্মান করায় খালের পরিধি ছোট হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে জোয়ার-ভাটার স্রোত কমে খাল ভরাট হয়ে যাওয়ার সম্ভবনারয়েছে।
এছাড়াও ভবন সংলগ্ন এলডিইডি রাস্তাটি ভবনের কাজ করায় মধ্যখান থেকে ফাটল দেখা দেয়। ভবনটি রাস্তা সংলগ্ন হওয়ায় রাস্তা থেকে যানবাহন চলাচল ঝুকিপূর্ণ হয়ে দাড়িয়েছে। যে কোন সময় হতে পারে দুর্ঘটনা।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ মাহমুদুল হক দুলাল জানান, অবৈধ ভাবে খাল দখল করে ও জালিয়াতি করে ১শতাংশ জমি ক্রয় করে ২শতাংশ দখল করে ভবন নির্মান করেন। এ ব্যাপারে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় আলোচনা করা হলেও তেমন কোন ভুমিকা নেওয়া হয় নাই।
জমি বিক্রেতা আতাফ হোসেন জানায়, গত ২০১১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারী স্থানীয় দুলাল বৈদ্য’র কাছে ১ শতাংশ জমি বিক্রি করি। সে আরও আমার ও সরকারী জমি
অবৈধভাবে দখল করে এবং রাস্তা ঘিষে ভবন নির্মান করছে।
অভিযুক্ত দুলাল বৈদ্য ওই জমি তার নিজের বলে দাবী করে জানান, তিনি কোন সরকারী জমি বা অন্য কারো কোন জমি দখল করেন নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুৎফুন্নেছা খানম জানান, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। এলজিইডি ও ভূমি অফিসকে তাৎক্ষনিক তদন্তের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।